এই পূজায় তুমুল ব্যস্ততায় কাটছে যৌনকর্মীদের - TrickMela.com
Wednesday , November 14 2018
Home / Hot News / এই পূজায় তুমুল ব্যস্ততায় কাটছে যৌনকর্মীদের

এই পূজায় তুমুল ব্যস্ততায় কাটছে যৌনকর্মীদের

এই পূজায় তুমুল ব্যস্ততায় কাটছে যৌনকর্মীদের

রীরের বিনিময়ে অর্থ উপার্জনকারী একশ্রেণির নারী। যারা সমাজের চোখে পতিতা নামে পরিচিত। এশিয়ার বৃহত্তম ও পশ্চিমবাংলার সোনাগাছি পতিতাপল্লীর চেহারাটা দুর্গাপূজায় থাকে একেবারেই অন্যরকম। আলসেমির কোনো অবকাশ নেই ওই পল্লীতে। কেননা পূজার এই কয়েকদিন পল্লীতে ‘কাস্টমার’দের ভিড় থাকে তুঙ্গে। আর তাই নবমী নিশি যখন দশমীর দিকে গড়ায়, তখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা পতিতাপল্লীর ঘরে ঘরে।

এই পতিতাদের ঘরের মাটি নিয়েই দেবী প্রতিমা তৈরি হয়। সেটাই রীতি; কিন্তু খদ্দেরের সংখ্যা এতই বেড়ে গেছে যে, প্রতিমা দেখতে যাবেন সেই ফুসরতও মিলছে না তাদের।

পল্লীর নারীরা বলছেন, পূজার দিন অন্যরকম অর্থ নিয়ে আসে খদ্দেররা। চেনা দিনগুলোর চেহারা বদলে যায় এ সময়। নিয়মিত খদ্দেরের পাশাপাশি ভিড় বেড়ে যায় নতুন খদ্দেরের।

নিচের টিউনগুলো দেখুন, কাজে লাগতেও পারেঃ

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০ মুসলিম ব্যক্তিত্ব কারা?

বলিউড সুন্দরী নায়িকাদের এক্সক্লসিভ বিকিনি লুক

ধর্ম পরিবর্তনের পর এই তারকারা নিজেদের যে নাম রেখেছেন

 

দেবী দুর্গা দেখতে আসা মানুষের এই কয়েকদিন গন্তব্য হয়ে ওঠে পতিতাদের ছোট্ট ঘরগুলো। অনেকেই পূজা দেখার পাশাপাশি এখানে ঢুঁ মারেন। সারা বছর দেখা না গেলেও পূজার কয়েকদিন সাধারণ ‘খদ্দের’ পেরিয়ে ‘বিশেষ খদ্দের’রই চাপ বাড়ে।

আর এই চাপ সামলাতে বাড়ে যৌনপল্লীর ব্যস্ততা। তুমুল ব্যস্ততায় কাটে যৌনকর্মীদের। ভিড় সামলাতে অন্যদিনের চেয়ে বেশি চাপ নিতে হয় তাদের। হাতের লক্ষ্মী ফিরিয়ে দিতেও চান না তারা। তাই পূজার কয়েকদিন অন্য চেহারা দেখা যায় যৌনপল্লীর ঘরে ঘরে।

উৎসব ফুরনোর মুহূর্তে যখন ‘যেওনা নবমী নিশি’ বলে চাপা হাহাকার বাঙালির মনে মনে, তখন তা অন্যভাবে ফেরে এই পল্লীতে। তুমুল ব্যবসা শেষ হয়ে যাওয়ার দুঃখের পাশাপাশি শারীরিক ধকল কাটানোর একটু ফুসরত মেলে পূজার পরে। পতিতাপল্লীর ঘরে ঘরে আনন্দ নাকি বিষাদের ছায়া পড়ে বেশি বুঝে উঠতে পারেন না তারা।

Check Also

দেখে নিন আপনার হাতের স্যামস্যাংটি আসল নাকি নকল ১মিনিটেই – RM Tips Bangla

হেলো বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই, আশাকরি সবাই ভালো আছো। আসলে ট্রিকমেলার সাথে থাকলে সবাই ভালোই …

Leave a Reply