অদ্ভদ ভালোবাসার গল্প - TrickMela.com
Tuesday , May 22 2018
Home / Apps Review / অদ্ভদ ভালোবাসার গল্প

অদ্ভদ ভালোবাসার গল্প

অদ্ভুদ সেই ভালবাসার গল্প ♥♥

(১ম,২য় ও ৩য় খন্ড একসাথে)💜

A Heart Touching Story

 

লেখক- হৃদয় শেখ (মানে আমি)

ছদ্যনাম- Online Hero ♥

 

আমার সামনে এখন দুইজন খুব জোড়ে

ছুটে আসছে,,,,

একজন হচ্ছে আমার বউ রিয়া আর একটা

মৃত্যু।।।

আমি রিয়ার চোখে দেখতে পাচ্ছি আমার জন্য অদ্ভুদ এক ভালবাসা।।।।

আমি সত্যিই অনেক অবাক হয়ে আছি।

যেই মেয়ে কিনা আমাকে দেখতেই পারেনা

আজ তার চোখে আমার জন্য এতো ভালোবাসা কিভাবে।।

চোখ দিয়ে এক ফোটা পানি গড়িয়ে পড়ল।

ইচ্ছে করছে বাচতে।

রিয়াকে গিয়ে একবার জরিয়ে ধরতে,,,

 

 

 

💜 বিয়ের রাত 💜

 

রিয়া বসে আছে খাটে খুব যত্নসহকারে।

পাসেই হৃদয়।

 

কিন্তু হৃদয় এর মুখে কোন ভাষা নেই আজ,

কারন রিয়া সাকিব নামের এক ছেলে কে

ভালোবাসে। 😫

 

তাই সে এই বিবাহ কে কোন দিন মেনে নিতে পারবে না।

 

রিয়া খুব সুন্দর করে sorry বলে দিয়েছে।

তাই হৃদয় ও আর কথা না বাড়িয়ে খাট থেকে নেমে গিয়ে ফ্লোরে বিছানা করে ঘুমিয়ে পড়ল।

 

সে এতটুকু তো জানেই কোন লাভ নেই রিয়া কে বুঝিয়ে।

 

কারন একটা মেয়ে যখন সত্যি সত্যি কাও কে ভালবাসে তার সবটুকু ভালবাসা দিয়ে ভালবাসে।

 

এভাবেই কেটে যায় তাদের প্রথম রাত 😭

 

পরেরদিন সকালে >>>>>>>

 

হৃদয় আর রিয়া একসাথে ব্যাগ গুছিয়ে

নিচ্ছে।

কারন তাদের যেতে হবে ঢাকা।

 

হৃদয় এর নিজস্ব অফিস আছে ঢাকায়।

সেখানেই তারা ছোট একটি ফ্লাট ভাড়া

নিয়ে থাকবে।

 

থাকবে বলতে হৃদয় আগে থেকেই সেখানে

থাকে সুধু আজ রিয়া কে নিয়ে উঠবে।

 

হৃদয় সুধুই তার মায়ের জোড় করাতে বিয়া

করেছিল।।।

 

বিয়ের ৩য় দিন >>>>>>>>>>>

 

রিয়া – আমাকে একটা ফোন কিনে দিবেন?

অনেক দিন থেকে সাকিব এর সাথে কথা

হয় না।

 

হৃদয় – কেন তোমার ফোন?

 

রিয়া – বাবা নিয়ে নিছে বিয়ের আগেই।।।

আর তার সাথে কথা হয়নি।

বাবা সুধু বলে সাকিব নাকি আমার জন্য উপযুক্ত না। সে নাকি খুব খারাপ ছেলে।

আমি এটাই বুঝি না বাবা এসব কিভাবে বলতে পারে। যেই সাকিব এর সাথে আমি

৩ বছর রিলেশন করেও কোন ত্রুটি পেলাম

না, আর উনি নাকি একদিনে চিনে গেলেন

সে খারাপ ছেলে। 😡

 

হৃদয় – ওকে কিনে দিব।

রিয়া – তাহলে আজেই এনে দিয়েন।

হৃদয় – ওকে।

রিয়া – Thanks 😆

হৃদয় – হুম welcome. 😃

 

সন্ধ্যা  ৬:৪৫ >>>>>>>>>>>>>>

 

-কৈ  আমার ফোন এনেছেন।

 

– হুম এই নাও।

 

– ধন্যবাদ।

 

– হুম।

 

তারপর থেকে রিয়া ফোন আলাপ চলতে থাকে সাকিব এর সাথে প্রায় প্রতিদিন।

 

বিয়ের ১০ম দিন >>>>>>>>>>

 

– শুনেন সাকিব বলেছে আমাকে বিয়ে করবে সে।

 

– হুম তো কি করতে হবে আমাকে।

 

– ডিভোর্স আর একটু হেল্প।

 

– হুম  বুঝতে পেরেছি।

ঠিক আছে করব এখন।

 

– হুম কালকেই উকিল এর সাথে কথা বলবেন প্লিজ।

 

– ওকে। কিন্তু তোমাকে তাও তিন মাস আমার সাথেই থাকতে হবে।

 

– সেটা না হয় এইভাবেই থাকব।

 

– মানে আমি তিন মাসেই ফ্লোর এ ঘুমাব?

 

– হুম।  মাত্র তিন মাসি তো কষ্ট করতে হবে।

 

– হুম তা ঠিক।  ওকে তুমি যা চাও তাই হবে।

 

( আসলে কাউকে জোর করে আটকে রাখা জায় না।)

 

সেদিনকার মতো রান্না করে খেয়ে  ফ্লোর এ ঘুমিয়ে পড়লাম।

 

রিয়া কে খেতে বলেও কোন লাভ নেই।  সে অনেক আগেই হোটেল থেকে অর্ডার দিয়ে খেয়ে নিয়েছে।।।

 

এভাবেই চলতেছে আমার জীবন।

 

কোন কোন দিন তো রান্না করতে করতে

রান্না ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি।

 

জীবন কি থেকে কি হয়ে যায় তা বুঝা অনেক কঠিন।

 

যেখানে আগে এতোটা খুশি ছিলাম আজ

মনে হয় একটু কষ্টেই আছি।

 

আজ মাঝে মাঝে ভাবি হয়তো একটা প্রেম

করলেই ভালো হতো।

তাহলে হয়তো আমাকেউ কেউ একজন

ভালবাসতো।

ঠিক যেভাবে রিয়া আজকে সাকিব কে ভালবাসে। হয়তো এমন কিছু আমার কপালে লিখা ছিল না।

আসলে জীবনটা এই রকমি।।।

সবার ভাগ্যে সবকিছু লিখা থাকে না।

 

আমার মনে আছে সেদিন আমাদের বিয়ের

১ মাস ১৯ তম দিন  ছিল >>>>>>>>

 

 

আফিস থেকে ফিরে এসেই দেখি সে ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল।।।

বিষয় টা দেখে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি।

কি আর করার তারপর পাসের বাসার ভাবি

কে ডাকলাম তার সাহায্যে রিয়া কে হাসপাতালে নিলাম।।।

 

ডাক্তার জানালেন তার Food Poison হয়েছে।

 

হওয়ার তো কথাই এইভাবে হোটেল থেকে

খাইলে তো এমন হবেই।

হুম রিয়া এখন ঘুমাচ্ছে।  তাকে ডাক্তার ঘুম

এর ইনজেকশন দিয়েছে।

ডাক্তার এর কথা মতো জানতে পারলাম

তার এই অসুখটা আরো কয়েক দিন আগেই   হয়েছে।

 

আমি খেয়ালি করি নাই বিষয়টা অনেক

আদ্ভুদ।

আমি খেয়াল করি নাই নাকি সে লুকিয়েছে তা আমি জানিনা।

 

তার পরের দিন তাকে বাসায় নিয়ে আসি।

তারপর থেকে আমিই এই কয়েক দিন তাকে রান্না করে খাওয়াই।

আমি বেশি কিছু রান্নাও করতে পারি না শুধু ডিম ভাজতে পারি আর ভাত রান্না।

এটাই তাকে রান্না করে খাওয়াচ্ছিলাম।

আর আমি কাজের জন্য কাউকে রাখতেও

পারছিলাম না।

কারন বাসার কেউ যদি জানতে পারে তাহলে হয়তো অনেক কষ্ট পাবে।

সেদিন রিয়ার ফোন একটা মেসেজ এসেছিল।

 

সেটা চেক করতে গিয়ে দেখলাম।

রিয়া সাকিব কে বলেছিল তার পেট ব্যাথার কথা।

 

সেটা ব্যাপার না ব্যাপার হচ্ছে সাকিব এর

উত্তর এ।  সে রিয়াকে লিখেছে তোমার

গাধা স্বামি কেই বলো নিয়ে যাবে।

 

তারপর ভাবলাম হায় বলে কি এই ছেলে।

এই তার ভালোবাসা???

 

তারপর কিছু খনের জন্য একটা প্রশ্ন মাথায়

ঘুরপাক খেয়েছে আসলেই কি আমি গাধা??

 

রিয়াকে হাসপাতাল এ নিয়ে তার জীবন

বাচিয়ে কি আমি গাধামি করছি????

হ্যা কিছুক্ষন বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করে উত্তর টা পেয়েছিলাম।।।

 

নিজের বিবেক কে যখন জিজ্ঞাস করলাম

উওর টা পেয়েছিলাম।।

আসলে বিবেক জিনিস টা এইরকমি যে কোন

প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব হয় বিবেক এর

কাছে।

 

তারপর ফোন রেখে বাইরে চলে আসি।।

করার কিছুই নাই।।।।।

 

অনেক রাত করে বাসায় ফিরেছিলাম সেদিন।।।

 

তারপর বুঝতে পারলাম রিয়া রেগে আছে।

আমি এতোরাত পর্যন্ত বাইরে ছিলাম এই

জন্য না।।।।

 

তার ফোন চেক করেছি এই জন্য।

 

– আপনি আমার ফোন চেক করেছেন কেন????

-এমনি???

– এমনি মানে????  আপনাকে কে দিয়েছে এই অধিকার ????

 

– তারপর আর কিছুই বলারছিলনা।।।।।

সুধু জিজ্ঞাস করেছিলাম ঔষুধ খেয়েছো।

 

আর কিছুই বলে নি ঘুমিয়ে পড়েছিল।।।

 

আজ বিয়ের ২ মাস ২৫ দিন >>>>>>>>

 

ডিভোর্স পেপার এ সাইন করে রিয়ার হাতে

হাতে দিয়ে দিয়েছি।

 

আর পাচ দিন পর আমি ফিরে পাব

সেই জীবনটা যেটা আজ আমার কছে স্রিতি।।।

 

আজ রিয়া অনেক খুসি সে আজ সত্যি

সত্যি অনেক খুসি।

 

একটা কথা আছে এটা সবাই জানে।।।

ঐযে বলেনা বিপদ যখন আসে সবদিক

দিয়ে আসে।।।।

 

পকেট এ ফোন বাজতেছে এই সেই বিপদ

ফোন টা কানে দিয়েই শুনতে পেলাম হৃদয়

ভাই অফিস এ আগুন লেগেছে।

আমার আর কিছুই করার ছিলনা।।।

আমি অফিস এর উদ্দেশ এ বেরিয়ে পড়লাম

 

গিয়ে দেখি অফিস আর নেই।।।।

জানিনা কিভাবে আগুন লেগেছে।।

 

থেকে আর লাভ নেই যতই থাকব ততই

কষ্ট হবেই।।।।

অফিস টা দেখে খুব কান্না করতে ইচ্ছা করছিল কিন্তু কান্না করে লাভ নাই।।।।

 

বাসায় গিয়ে দেখি রিয়া রুম এ নেই হয়তো

চলে গেছে।।।।।।

তারপর ছাদে গিয়ে দেখি না সে ছাদে দারিয়ে।।।

কান্না করছে মনে হয়।।।।।

কি জন্য হতে পারে তা জানার চেষ্টা করতে লাগলাম।।।

 

হুম উওর পেয়ে গেছি হয়তো সাকিব তাকে

আর বিয়ে করবে না।।।।।

 

উওরটা একদম ঠিক।।।।।

তা নাহলে সে কেন কাঁদবে।।।।

 

পরের দিন সকাল এ পাওনাদার এর অভাব নাই।।।।

 

অফিস এ আগুন লেগেছে তো তাই।।।।

তাদের সব টাকা আমি দিয়ে দিলাম।।।।

এখন আর কিছু নেই আমার।।।।

এখন শুধু সামান্য কিছু টাকা আছে।।।

 

জানি এই টাকা দিয়ে আর অফিস খুলা

সম্ভব না।

 

সেদিন এই কস্টের কাহিনী গুলো সব ডাইরি তে লিখতে মন চেয়েছিল।।। লিখেছিলাম কিন্তু কস্টের কাহিনী না লিখেছিলাম সুধু কয়েকটি মনের ইচ্ছা।

 

আর কি করার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম,

 

বিয়ের ২ মাস ২৬ দিন আজ >>>>>>>>>>

 

সকাল সকাল কে যেন বেল বাজিয়ে যাচ্ছে কোনভাবেই থামার নাম নাই।

 

গেট খুলে দেখি এ আর কেউ না,,

আমার অফিস এর সবুজ।।।।

তাকে দেখেই বুঝতে পেলাম সে কি কারনে

এসেছে।।।।

 

আমি তার মায়ের অপারেশন এর জন্য তাকে টাকা দিতে চেয়েছিলাম।।।।

তার মার আজ Heart অপারেশন

 

আর আজ তার লাস্ট ডেট।

 

কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই 😖

 

কিন্তু তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে

পারলাম সে সব বুঝেগেছে যে আমি তাকে

আর সাহায্য করতে পারব না।।।

সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে কান্না শুরু করে দিল।

বলতে লাগল মা কে আর বাচান যাবে না।

 

কিন্তু সেই মুহুর্তে মনে পড়ল একটা উপায়

আছে।

যার মাধ্যমে আমি তাকে সাহায্য করতে

পারব।।।

যেই চিন্তা সেই কাজ ডিসিশন নিয়ে নিলাম

একটা কিডনি বিক্রয় করে দিব।।।

 

আর তাছাড়া একটা কিডনি বিক্রয় করলে

যদি একজন বেচে যায় তাহলে না হয় তাই করব।

 

জানি এই কথা বললে কোনভাবেই সবুজ

রাজি হবে না।

তাও তাকে অনেক কস্টে রাজি করাই।

 

রাত ৭:৩০ >>>>>>>>>>>>

 

সবুজ এর মার অপারেশন করা শুরু হয়েগেছে।।।

 

সময় দেখেই বুঝতে পারলাম কারন এখনি

হওয়ার কথা।

আর আমি কিডনি বিক্রয় করে এখন বেড

থেকে উঠে বাসায় যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি।

 

ডাক্তার তো বলেছে রেস্ট নিতে কিন্তু

এখানে থাকার আর ঔষুধ কিনার মতো

আমার টাকা নেই তাই চলে যাচ্ছি।।।

 

কিডনি বেচে যত টাকা পেয়েছি তার থেকে

সবুজ এর মার অপারেশন করে যে টাকা

বেচেছিল সব টাকা রিয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ দিয়ে দিয়েছি।।।

 

জানি তাকে সাকিব বিয়ে করবে না।।।।।

সে কথায় যাবে তাই এটা করেছি।।।

 

না আর হাটা সম্ভব না ব্যাথা উঠে গেছে।

এখন মনে হচ্ছে জীবন এর সবচেয়ে বড়,

ভুল করে ফেলেছি।।।।।

হাটার চিন্তা করা সবচেয়ে বড় ভুল।

 

এখন আমি মেইন রোড এর মাঝে পড়ে।

শরীরে আর শক্তি নেই যে উঠে একটু সাইডে যাব ।।।।

এখন তো শুধু একটাই অপেক্ষা কখন

একটা গাড়ি আসবে আর আমাকে পিসে

চলে যাবে।।।।

 

যার অপেক্ষায় ছিলাম তার জিন্য আর

অপেক্ষা করতে হবে না।।  হুম আমি শব্দ

পাচ্ছি একটা ট্রাক আসছে।।।।

 

কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুদ ব্যাপার যেটা সেটা হচ্ছে সামনে থেকে রিয়া দৌড়িয়ে আসতেছে।।।।

আমি ভুল দেখছি না তো???

না এটা সত্যি।।।

তার চখে আমি পানি দেখতে পাচ্ছি।।।

এই অশ্রু বুঝাচ্ছে আমার প্রতি তার ভালবাসা।।।।

হয়তো সবুজ তাকে বলে দিয়েছে সব সত্য।

 

কিন্তু সে অনেক দেরি করে ফেলেছে আমি জানি তার আসার পুর্বেই আমার মৃত্যু এসে

পড়বে।।।।

 

আজ বাচতে খুব ইচ্ছে করছে।।।।

কিন্তু তা আর সম্ভব না।।।।

আজ অনেক কিছুই করতেই মন চাচ্ছে।

কিন্তু সবি বেকার।।।।

আমি জানি তার আর কস্ট হবে না জীবনে কারণ আমি যত টাকা তার জন্য রেখে যাচ্ছি সে ভালই থাকবে.

 

 

হৃদয়……………………………..,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

 

 

এই একটাই চিৎকার শেষ হৃদয় এর কানে এসেছিল এটাই ছিল সেই শব্দ যেই শব্দের

সাথে আজ হৃদয় হারিয়ে গেছে।।।

এই সে শব্দ যার সাথে মিশে ছিল রিয়ার

ভালবাসা।।।।।

অদ্ভুদ সেই ভালবাসা।।।।।

 

আজ হৃদয় এর মৃত্যু ২য় দিন >>>>>>

 

রিয়া হৃদয় এর লেখা সেই ডাইরি পেয়েছে।

সেখানে খুব সুন্দর কয়েকটি ইচ্ছা লিখা আছে।

 

যেখানে,

১ম ইচ্ছা — রিয়া একদিন আমাকে

খুব ভালবাসবে।।।।।।

২য় ইচ্ছা — রিয়ার সাথে একদিন ঘুমাতে চাই, চাই তাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে একদিনের জন্য হলেও।

 

আর শক্তি নেই রিয়ার এই ডাইরি পড়ার।

আজ সে বুঝতে পারেছে তার নেয়া ডিসিশন ভুল ছিল।।।।।

তার বাবাই ঠিক ছিল।।।।

 

তাই আজ থেকে মৃত্যু  পর্যন্ত তাকে শুধু

কেদেই যেতে  হবে।।।।।

 

সমাপ্তি 😞😞😞

 

★তাই প্রেম করা থেকে বিরত থাকুন।।।।

★তা না হলে আপনাকে একদিন এই ভাবে

কাদতে হবে।।

★অনেকেই কেঁদেছেন already।।

★আর অনেকেই এখন প্রেম করে যাচ্ছে তারাও কাঁদবে Don’t Warry…

কারন ৯৮% প্রেম বিফলল হয়। 💔

 

কেউ আবার গল্প পইড়া প্রেমিক /প্রেমিকারে ছাইড়া দিয়েন না!!!

শেষের লাইন গুলো শুধু single দের জন্য।

 

comment করতে ভুলবেন না।।।।

লেখক – হৃদয় শেখ

ছদ্যনাম – Online Hero

ব্যার্থ লেখক  📝📝

 

অদ্ভদ ভালোবাসার গল্প

Check Also

SSC পরীক্ষার রেজাল্ট দেখুন মাত্র ১৫ সেকেন্ডে- RM Tips Bangla

SSC পরীক্ষার রেজাল্ট দেখুন মাত্র ১৫ সেকেন্ডে- RM Tips Bangla App link : Download   …

Leave a Reply